পার্বতীপুরে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হলেও প্রভাব পড়েনি বাজারে,কৃষকরা বিপাকে

রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ৪:২২ অপরাহ্ণ |

পার্বতীপুরে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হলেও প্রভাব পড়েনি বাজারে,কৃষকরা বিপাকে
প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও ছবিতে ডেস্ক রিপোর্ট

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান কিনতে এবার লটারী করেছেন উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে কার্ডধারী কৃষকদের তালিকা নিয়ে তাদের নামের সাথে কার্ড নম্বর যুক্ত করে এ লটারীর আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা লটারী অনুষ্ঠানকে স্বচ্ছ করতে (যাতে করে কোন প্রশ্ন না উঠে)সে দিক বিবেচনা করে আগে থেকেই স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে কার্ডধারী প্রান্তিক চাষিদের তালিকা সংগ্রহ করেন তারা।

 


পরে ওই তালিকা যাচাই-বাচাই শেষে স্থানীয় প্রশাসন,রাজনৈতিক ব্যক্তি,কৃষক,ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লটারীর মাধ্যমে প্রান্তিক চাষিদের নাম ঘোষনা করা হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে,এবার সরকার স্থানীয় খাদ্য গুদামগুলোতে ২৬টাকা কেজি দরে প্রান্তিক কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের ঘোষনা দিয়েছেন।

রেশীয় অনুপাতে পার্বতীপুর উপজেলাতে মোট ধান বরাদ্দ এসেছে ৭০০মেট্রিক টন। এরই আলোকে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে পৌরসভাসহ এ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মোট ৯০০০(নয় হাজার) প্রান্তিক কৃষকদের তালিকা সংগ্রহ করে লটারীর আয়োজন করেন।

রেশীয় অনুপাতে ৭০০মেট্রিক টন ধানের বিপরীতে পুরো উপজেলার ১৪৬১ জন কৃষকের নাম ঘোষনা করা হয়। এসব কৃষকের নাম স্ব-স্ব এল,এস,ডি গোডাউনের অফিসে টাঙ্গানো হয়েছে বলে পার্বতীপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুদেব কুমার দাস জানান। এই প্রক্রিয়ায় প্রত্যেক কৃষক স্থানীয় খাদ্যগুদামে ৪৮০ কেজি করে ধান বিক্রয় করতে পারবেন। তালিকা অনুযায়ী ইতোমধ্যে খাদ্যগুদাম ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু করলেও ধান দিচ্ছে না সাধারণ কৃষক। তাদের মতে ৪৮০ কেজি ধান দিয়ে কি হবে? কৃষকরা আরও জানান,এমনিতেই বাজারে ধানের দাম কম,আবার সরকারি বরাদ্দও কম। কৃষক অনুপাতে এ উপজেলাতে বরাদ্দ একেবারেই কম। তাদের দাবি, কৃষককে বাঁচাতে হলে এখানে আরো বরাদ্দ দিতে হবে। সরকারি ভাবে ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হলেও বাজারে এর কোন প্রভাবই পড়ে নাই।

উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা বলেন, বরাদ্দ কম তাই ভেবে-চিন্তে এই প্রক্রিয়ায় আসতে বাধ্য হয়েছি। আসলে লটারী ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। তবুও এই উপজেলার ১৪৬১ জন কৃষক কিছুটা হলেও উপকৃত হবে বলে আমি মনে করি।

-পার্বতীপুর(দিনাজপুর)থেকে দুলাল চৌধুরী

আপনার মুল্যবান মতামত দিন......

comments



ডাঃ এম. কামরুজ্জামান মানিক সহকারী অধ্যাপক হিসেবে মমেক হাসপাতালে যোগদান…

প্রধান কার্যালয়ঃ বঙ্গবন্ধু সড়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন, বাসস্ট্যান্ড, ঠাকুরগাঁও-৫১০০
বার্তা বিভাগ-01763234375 অথবা 01673974507, ইমেইল- sangbadgallery7@gmail.com

2012-2016 কপি রাইট আইন অনুযায়ী সংবাদ-গ্যালারি.কম এর কোন সংবাদ ছবি ভিডিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথায় প্রকাশ করা আইনত অপরাধ

Development by: webnewsdesign.com