২০০৮ থেকে ২০১৭ উন্নয়ন এর দৃষ্টি থেকে মোতাহার হোসেনের অবদান

রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৯:৫৮ অপরাহ্ণ | 256 বার

২০০৮ থেকে ২০১৭ উন্নয়ন এর দৃষ্টি থেকে মোতাহার হোসেনের অবদান

মিজানুর রহমান লালমনিরহাট প্রতিনিধি: বৃহত্তর রংপুকে কোন সরকার ২০০৮ সালের পূর্বে উন্নয়নের আওতায় অন্তর্ভক্ত করেননি।

উন্নয়নের দৃষ্টি থেকে রংপুর বঞ্চিত হওয়ার একমাত্র কারন হলো রংপুর জাতীয় পার্টির দূর্গ বলে পরিচিত!
২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে।মূলত ১৯৭১ এর পরে ২০০৮ থেকে ২০১৭, ডিসেম্বর পর্যন্ত রংপুরের দৃশ্যপট পাল্টাতে থাকে।

রংপুরকে বিভাগ করণ,
রংপুরে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন,
রংপুরকে সিটি কর্পারেশন করণ,
এবং রংপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে প্রক্রিয়া গ্রহন।

এসব ছিল রংপুরবাসীর জন্য অপরিহার্য।যা রংপুরে হওয়া উচিত ছিল ৮০দশকেরও আগে কিন্তু হয়নি।যা করেছেন আওয়ামীলীগ সরকার।
রংপর বিভাগের অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ জেলা লালমনিরহাট। কিন্তু এ জেলাটিতে ব্রিটিশদের করে যাওয়া কিছু কাজ ব্যতীত আর কোনো উন্নয়ন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জোটেনি এ জেলার মানুষের কপালে।

এ জেলাটি উন্নয়নে পিছিয়েছিল ব্রিটিশ অামলের ধারাতেই।পরবর্তীতে ২০০৮ সালে এসে আওয়ামীলীগ সরকার যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে।

এ সময়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লালমনিরহাট সদরে এবং পাটগ্রাম উপজেলায় আসেন।
জনগনের চরম দূর্ভোগের নাম তিস্তার রেল জংশন।
সেখানে তিস্তা নদীর উপর দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণ করেন,কাকিনা মহিপুর তিস্তা নদীর উপর নির্মাণ করেন বিশালাকার সেতু।চালু করা হয়েছে বুড়িমারী স্থলবন্দর, রংপুর থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত ব্রিটিশদের করে যাওয়া প্রতিটি রেল স্টেশন প্লাটফরমকে নতুন ভবনসহ করা হয়েছে।
আধুনিক,বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত রেল লাইনকে করা হয়েছে সংস্কার,সংযুক্ত করা হয়েছে দুটি নতুন ট্রেন।প্রাথমিক শিক্ষকদের নিজ জেলা লালমনিরহাটে করা হয়েছে পিটিআই সেন্টার, নার্সিংহোম এবং করা হয়েছে ডায়াবেটিকস ইনিস্টিটিউট।প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে করা হয়েছে বহুকক্ষ বিশিষ্ট।বুড়িমারী থেকে বড়বাড়ি পর্যন্ত মহাসড়ককে করা হয়েছে সংস্কার।

প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ।পাকা করণ করা হয়েছে গ্রামের প্রতিটি কাঁচা রাস্তা।হাতীবান্ধায় চালু করা হয়েছিল ন্যাশনাল সার্ভিস।আলিমুদ্দিন কলেজ ও পাটগ্রাম সরকারী কলেজে খোলা হয়েছে অনার্স শাখা।করা হয়েছে ৪তলা বিশিষ্ট আধুনিক হাতীবান্ধা থানা ভবন, বড়খাতায় করা হয়েছে নতুন ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ি এবং হাতীবান্ধা উপজেলা স্থাপন করা হয়েছে ফেয়ার স্টেশন।হাতীবান্ধায় করা হয়েছে ২০০শয্যা বিশিষ্ট সরকারী আধুনিক মেডিকেল ভবন।পাটগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং মিনি বাস টার্মিনাল নির্মাণ, পাটগ্রাম ধড়লা নদীর উপর সেতু নির্মান, হাতীবান্ধা সানিয়াজান নদীর উপর রাবার ড্রাম নির্মাণ।প্রভূতি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ২০০৮-২০১৭ ইং সময়ে রংপুরে করেছেন আওয়ামীলীগ সরকার।এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তিসহ অনেক অনেক উন্নয়ন রংপুরে বিভাগে করেছেন আওয়ামীলীগ সরকার এবং সেখানে সরকারের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন জননেতা মোতাহার হোসেন এমপি মহোদয়,সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী। যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট রংপুরের অনুন্নতের চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিল এবং উক্ত উন্নয়ন সমূহের প্রয়োজনীতা তুলে বৃহত্তম রংপুরের পিছিয়ে পরা মানুষগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জোর দাবী তুলেছিলেন।যার ফলস্রুতিতে আজকের দৃশ্যমান রংপুর।এছাড়াও লালমনিরহাট -১ আসনে উন্নয়নের সর্বদিক সম্পূর্ণ করেছেন জননেতা মোতাহার হোসেন এমপি মহোদয়।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

কারাগারে ৩টি পত্রিকা ও একটি চ্যানেল দেখার সুযোগ পাবেন খালেদা

পৌর এলাকা, গোয়ালপাড়া, ঠাকুরগাওঁ শহর, ইমেইল- sujonshorma109@gmail.com

Development by: webnewsdesign.com