নোয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ন প্রকল্পের কোটি টাকা হরিলুটের অভিযোগ…

সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৮:৫৭ অপরাহ্ণ |

 নোয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ন প্রকল্পের কোটি টাকা হরিলুটের অভিযোগ…
প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের নিজ জমিতে গৃহনির্মাণ “খ” শ্রেণীর ঘর নির্মাণে নোয়াখালীতে দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ৩নং জিরতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিলন প্রকল্পের ১শ ৯০ জনের তালিকায় ৭৭ জনের ঘর নির্মাণ না করে ভূয়া মাষ্টার রোল সাবমিট করে স্থানীয় পিআইওর যোগসাজসে ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ
দিয়েছেন আলী হোসেন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা। তার অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আলী হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ন প্রকল্প থেকে সারাদেশের দরিদ্র মানুষের আশ্রায়ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে “যার জমি আছে, ঘর নেই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ” কর্মসূচী গ্রহণের মাধ্যমে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে মাথা গোঁজার জন্য বসত ঘর তৈরীর লক্ষ্যে ঘর প্রতি এক লাখ টাকা এ প্রকল্পের জন্য নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ৩নং জিরতলী ১৯০ টি ঘরের বরাদ্দ হয়।


জিরতলী ইউনিয়নে ১’শ ৯০টি ঘরের বরাদ্দ হয়। ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিলন নিজ ক্ষমতা বলে ১’শ ৯০টি ঘরের তালিকায় থাকা ৭৭ জনকে কোন ঘর না দিয়ে সরকারী ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

একই অভিযোগে ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মো. সেলিম দুদককে জানায়, স্থানীয় চেয়ারম্যান অস্তিত্বহীন নিজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে.কে ট্রেডার্সের নামে বিল ভাউচার দেখিয়ে সরকারী অর্থ লোপাট করেন।

দুদক অফিস সূত্র জানা যায়, ওই ইউনিয়নের মহব্বতপুর, মুজাহিদপুর, মদিনাবাগ ও মাঠের পূর্ব পাশ বলতে কোন গ্রাম না থাকলেও মাষ্টার রুলে অন্তর্ভূক্ত দেখিয়ে তালিকার ৮২, ১৩৮, ১৮০, ১৮৫ ক্রমিকে ভূয়া গ্রাম ও নাম, ঠিকানা ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান। বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে জমা দেয়া মাস্টার রুল তালিকায় একই ব্যক্তির নাম- ঠিকানা একাধিকবার ব্যবহার করে নিজেই ওই টাকা
আত্মসাৎ করে নেয়।

ভূক্তভোগীরা জানায়, অনেক দু:স্থ্য লোকদের কাছ থেকে ঘর প্রতি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন চেয়ারম্যান। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে দুর্নীতি বন্ধে প্রকল্পের আত্মসাতকৃত অর্থ আদায় করতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিলনের মুঠোফোনে
একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য
নেওয়া সম্ভব হয়নি। এনিয়ে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি
হয়েছে।

নোয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানায়, চেয়ারম্যানের
বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ মামলা হিসেবে অনুমোদনের জন্য সদর
দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের নিজ জমিতে গৃহনির্মাণ “খ” শ্রেণীর ঘর নির্মাণে নোয়াখালীতে দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি
কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন
কমিশন (দুদক)।

দুদক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ৩নং জিরতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিলন প্রকল্পের ১শ ৯০ জনের তালিকায় ৭৭ জনের ঘর নির্মাণ না করে ভূয়া মাষ্টার রোল সাবমিট করে স্থানীয় পিআইওর যোগসাজসে ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ দিয়েছেন আলী হোসেন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা। তার অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আলী হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ন প্রকল্প থেকে সারাদেশের দরিদ্র মানুষের আশ্রায়ন ব্যবস্থানিশ্চিত করতে “যার জমি আছে, ঘর নেই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ” কর্মসূচী গ্রহণের মাধ্যমে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে মাথা গোঁজার জন্য বসত ঘর তৈরীর লক্ষ্যে ঘর প্রতি এক লাখ টাকা এ প্রকল্পের জন্য নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ৩নং জিরতলী ১৯০ টি ঘরের বরাদ্দ হয়।

জিরতলী ইউনিয়নে ১’শ ৯০টি ঘরের বরাদ্দ হয়। ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিলন নিজ ক্ষমতা বলে ১’শ ৯০টি ঘরের তালিকায় থাকা ৭৭ জনকে কোন ঘর না দিয়ে সরকারী ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

একই অভিযোগে ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মো. সেলিম দুদককে জানায়, স্থানীয় চেয়ারম্যান অস্তিত্বহীন নিজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে.কে ট্রেডার্সের নামে বিল ভাউচার দেখিয়ে সরকারী অর্থ লোপাট করেন।

দুদক অফিস সূত্র জানা যায়, ওই ইউনিয়নের মহব্বতপুর, মুজাহিদপুর, মদিনাবাগ ও মাঠের পূর্ব পাশ বলতে কোন গ্রাম না থাকলেও মাষ্টার রুলে অন্তর্ভূক্ত দেখিয়ে তালিকার ৮২, ১৩৮, ১৮০, ১৮৫ ক্রমিকে ভূয়া গ্রাম ও নাম, ঠিকানা ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান। বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে জমা দেয়া মাস্টার রুল তালিকায় একই ব্যক্তির নাম- ঠিকানা একাধিকবার ব্যবহার করে নিজেই ওই টাকা
আত্মসাৎ করে নেয়।

ভূক্তভোগীরা জানায়, অনেক দু:স্থ্য লোকদের কাছ থেকে ঘর প্রতি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন চেয়ারম্যান। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে দুর্নীতি বন্ধে প্রকল্পের আত্মসাতকৃত অর্থ আদায় করতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিলনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এনিয়ে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

নোয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানায়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ মামলা হিসেবে অনুমোদনের জন্য সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মুল্যবান মতামত দিন......

comments



যোগ্যতাই যখন বড় অযোগ্যতা

প্রধান কার্যালয়ঃ বঙ্গবন্ধু সড়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন, বাসস্ট্যান্ড, ঠাকুরগাঁও-৫১০০
বার্তা বিভাগ-01763234375 অথবা 01673974507, ইমেইল- sangbadgallery7@gmail.com

2012-2016 কপি রাইট আইন অনুযায়ী সংবাদ-গ্যালারি.কম এর কোন সংবাদ ছবি ভিডিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথায় প্রকাশ করা আইনত অপরাধ

Development by: webnewsdesign.com