‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রাতে ১২ জনসহ নিহত ১০০

মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮ | ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ |

‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রাতে ১২ জনসহ নিহত ১০০
ছবি: অনলাইন

সারা দেশে ৪ মে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে গতকাল সোমবার পর্যন্ত র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ১০০ জন নিহত হয়েছে। সর্বশেষ রবিবার রাত থেকে পরদিন গতকাল ভোর পর্যন্ত ৯ জেলায় নিহত হয়েছে ১২ জন। তাদের মধ্যে রাজধানী ঢাকা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, পিরোজপুর ও পাবনায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে সাতজন। নাটোরে র‌্যাবের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে একজন। এ ছাড়া সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও মুন্সীগঞ্জে মাদক কারবারিদের নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে চারজন নিহত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। এর আগের রাতে নোয়াখালীতে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে আরো একজন নিহত হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী র‌্যাব ও পুলিশের পক্ষ থেকে এসব ঘটনার যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা প্রায় একই ধরনের। বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলির মুখে পাল্টা গুলি চালালে গোলাগুলিতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। নিহত প্রত্যেকে চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও অন্যান্য অভিযোগে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক, আঞ্চলিক ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন বিস্তারিত।

webnewsdesign.com

ঢাকা : রাজধানীর মিরপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্দেহভাজন এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। ডিবির ভাষ্য, নিহত নজরুল ওরফে নজু সরদার মিরপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।

ডিবি সূত্র জানায়, গত রবিবার দিবাগত রাতে ডিবি পশ্চিম বিভাগের তিন টিমের সমন্বয়ে রূপনগর থানার চলন্তিকা বস্তি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক মাদক কারবারিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, তিনটি গুলির খোসা ও পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা : সদর দক্ষিণ উপজেলা ও দেবিদ্বারে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত এনামুল হক ভূইয়া ওরফে দুলাল (৩৫) ও নূরু মিয়া ওরফে নূরু হুজুর (৫৫) উভয়েই মাদক কারবারি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত রবিবার দিবাগত রাত ১টায় দেবিদ্বারের পশ্চিম ভিংলাবাড়ীতে গোমতী নদীর তীরে এবং রাত ২টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা-লক্ষ্মীপুর সড়কের গলিয়ারা সেতুর মাথায় এই পৃথক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ সময় ছয় পুলিশ সদস্যও আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় ১০ কেজি গাঁজা, ১০০ পিস ইয়াবা, একটি পাইপগান, এক রাউন্ড কার্তুজ ও একটি কার্তুজের খোসা।

দেবিদ্বার থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এনামুলের বিরুদ্ধে ১২টি মাদক ও একটি ডাকাতি মামলা রয়েছে। সদর দক্ষিণ থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, নিহত নূরু মিয়ার বিরুদ্ধে ১১টি মাদক ও একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে।

নাটোর : সিংড়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আব্দুল খালেক নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৮৫৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। গত রবিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার ভাগনাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল খালেক সিংড়া উপজেলার বড় চৌগ্রামের আজাহার আলীর ছেলে।

র‌্যাব-৫-এর সিপিসি-২ কম্পানি কমান্ডার মেজর শিবলী মোস্তফা জানান, র‌্যাবের একটি টহলদল নাটোর-আত্রাই আঞ্চলিক সড়কে টহল শেষে নাটোরে ফেরার পথে ভাগনগরকান্দি এলাকায় কিছু লোকের আনাগোনা দেখতে পায়। র‌্যাব আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলে তারা টহলদলকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল খালেক। তাঁর বিরুদ্ধে ২০টি মামলা রয়েছে।

চাঁদপুর : ফরিদগঞ্জে গতকাল ভোরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লাল বাদশা নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ফরিদগঞ্জ থানার ওসি শাহ আলম জানান, লাল বাদশা একজন শীর্ষ মাদক কারবারি। পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে লাল বাদশাকে আটক করে গুপ্টি এলাকায় ইয়াবাসহ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তাঁর সহযোগীরা থানা ও ডিবি পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আটককৃত লাল বাদশাসহ ছয় পুলিশ আহত হন। পরে লাল বাদশাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি, তিনটি তাজা ককটেল ও বেশ কিছু ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পিরোজপুর : জেলায় গতকাল রাতে পুলিশের সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে সদর উপজেলার কলাখালীতে অহিদুজ্জামান (৪০) ও মঠবাড়িয়ায় মিজানুর রহমান সরদার (৩৫) নিহত হন। নিহতরা চিহ্নিত মাদক কারবারি বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গতকাল দুপুরে উত্তর কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে মাদক কারবারি অহিদুজ্জামানকে আটক করে ডিবি পুলিশ। অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে তাঁকে নিয়ে পুলিশ গতকাল রাত ১টার দিকে কলাখালী ইউনিয়নের কৈবর্তখালী গ্রামে গেলে সহযোগীরা গুলি ছুড়ে অহিদুজ্জামানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় অহিদুজ্জামান পালাতে গেলে ডিবি পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, পাঁচ রাউন্ড গুলি, ১৭৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ গ্রাম গাঁজা ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। অহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে আটটি মামলা রয়েছে।

পৃথক ঘটনায় মঠবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মিজানুর নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র, ৫৫ পিস ইয়াবা ও দেড় কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গতকাল বিকেলে মিজানুরকে গ্রেপ্তার শেষে তাঁকে নিয়ে পুলিশ মাদক উদ্ধারে বড়মাছুয়া গ্রামে অভিযানকালে এক দল মাদক কারবারি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় মিজানুর পালানোর চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। মঠবাড়িয়া থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার জানান, মিজানুর তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে।

পাবনা : বেড়া পৌর এলাকার তেঘরি মহল্লায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইজ্জত আলী (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, ইজ্জত আলী তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী। তাঁর বাড়ি বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া পূর্বপাড়া গ্রামে।

বেড়া মডেল থানার ওসি মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গত রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পুলিশের একটি টহলদল তেঘরি মহল্লার সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পায় যে এক দল দুর্বৃত্ত সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করছে। ডাকাতদল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইজ্জত আলীকে উদ্ধার করে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় শাটারগান, চার রাউন্ড কার্তুজ, ৬০০ গ্রাম গাঁজা এবং ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, ইজ্জত আলী কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকের ১৪টি মামলা রয়েছে।

সাতক্ষীরা : সদর উপজেলায় দুই মাদক কারবারির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে থানার পুলিশ। গতকাল ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার আগুনপুর নামক স্থানে এক চিংড়িঘেরের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার লক্ষ্মীদাঁড়ি গ্রামের খলিলুর রহমান ওরফে পুটে সরদার (৫০) ও শহরের মধুমোল্যাডাঙ্গির এমদাদুল হক কারিগর (৪৮)। পুলিশের দাবি, তাঁরা তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। মাদক কারবারের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে তাঁরা নিহত হয়েছেন।

নিহত এমদাদের ভাই মফিজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী অঞ্জনা খাতুন জানান, গত বুধবার রাতে তারাবির নামাজের পরপরই সাদা পোশাকধারী কয়েক ব্যক্তি বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে এমদাদকে তুলে নিয়ে যায়।

লক্ষ্মীদাঁড়ি গ্রামের আজগার আলী জানান, তাঁর ছেলে পুটে সরদার গত রবিবার সাতক্ষীরায় আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে যান। দুপুরে কোর্টের সামনে থেকে ডিবি পুলিশ তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।

ঝিনাইদহ : সদর উপজেলায় ফরিদ হোসেন (২৭) নামের এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয়েছে। গত রবিবার গভীর রাতে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের পাশে জাড়গ্রাম নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকায়।

সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, গত রবিবার রাত দেড়টার দিকে দুই দল মাদক কারবারির মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফরিদ নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ এবং একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ফেনসিডিল উদ্ধার করে। গতকাল সকালে স্বজনরা থানায় গিয়ে লাশ শনাক্ত করে। পুলিশ ধারণা করছে, মাদক বেচাকেনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। ফরিদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ : সদর উপজেলার মুরমা গ্রামে বন্দুকযুদ্ধে সুমন বিশ্বাস ওরফে কানা সুমন (৩৬) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গত রবিবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাউদ্দিন জানান, মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা এলাকায় দুই দল মাদক বিক্রেতার মাঝে বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের গুলিতে কানা সুমন নিহত হন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। সুমন মাদকসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলার আসামি। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ছুরি ও বিপুল ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

নোয়াখালী : সোনাইমুড়ী উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হাসান ওরফে ইয়াবা হাসান নামের একজন নিহত হয়েছেন। গত শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার বগাদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাঁর বাড়ি সোনাইমুড়ী পৌরসভার ভানুয়াই গ্রামে।

পুলিশের দাবি, হাসান এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত ২১টি মামলা রয়েছে।

সোনাইমুড়ী থানার ওসি নাছিম উদ্দিন জানান, হাসানকে গত শনিবার দুপুরে আটকের পর অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে রাতে তাঁকে নিয়ে সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ স্থানীয় ইজতেমা মাঠ এলাকায় গেলে হাসানের সহযোগীরা তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় হাসান ও তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে হাসানকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, একটি এলজি ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

আপনার মুল্যবান মতামত দিন......

comments

জিংক ধান বিস্তারে কৃষি অফিসারদের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত…

প্রধান কার্যালয়: শিমুল লজ, ১২/চ/এ/২/৪ (২য় তলা), রোড নং ৪, শেরেবাংলা নগর,শ্যামলী,ঢাকা‌.
বার্তা বিভাগ-01763234375 অথবা 01673974507, ইমেইল- sangbadgallery7@gmail.com

আঞ্চলিক কার্যালয়: বঙ্গবন্ধু সড়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন, বাসস্ট্যান্ড, ঠাকুরগাঁও-৫১০০

2012-2016 কপি রাইট আইন অনুযায়ী সংবাদ-গ্যালারি.কম এর কোন সংবাদ ছবি ভিডিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথায় প্রকাশ করা আইনত অপরাধ

Development by: webnewsdesign.com