জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

দিন

ঘন্টা

মিনিট

সেকেন্ড

ময়মনসিংহে

মাত্র ১২ হাজার টাকার জন্য খুন, ২দিনেই আসামী গ্রেফতার…

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০ | ৬:১৪ অপরাহ্ণ |

মাত্র ১২ হাজার টাকার জন্য খুন, ২দিনেই আসামী গ্রেফতার…
প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও ছবিতে ডেস্ক রিপোর্ট

সুমন ভট্টাচার্য্য:

ময়মনসিংহের নান্দাইলে চাঞ্চল্যকর ঘটনা অটোচালক রতনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনার ৪৮ মধ্যে রতনের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রিয়াদ আহমেদ সজিব (২১) পিতা : আবু রায়হান মাতা: শিরিনা আক্তার গ্রাম: সুতিভরট (বইলাদা বাড়ী),খোরশেদ আলম (১৯) পিতা:মোস্তফা মিয়া মাতা:মোর্শেদা খাতুন,সোহেল রানা (২০) পিতা:মনির মিয়া মাতা:সুফিয়া খাতুন,রিপন মিয়া (১৮) পিতা:খালেক মাতা:ফিরোজা খাতুন সাং ৪ জন কে আটক করতে অটোচালক সেজে ডিবি ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম বার তাদের গ্রেফতার করেছে ।


ডিবি ওসি জানায়, মাত্র ১২ হাজার টাকার জন্য গত ১৪ মার্চ শনিবার ২০২০ সালে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের উজানচড় নওপাড়া(কুলিয়ারচর) গ্রামের বাসিন্দা অটোচালক রতন (৩৫)ফোন করে ডেকে নিয়ে হাতুড়ী দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করে হত্যা করা হয় ।

এদিকে নিহত রতনের মা রাহিমা খাতুন তার ছেলে নিখোঁজ মর্মে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন । জিডির সূত্র ধরেই রতন হত্যাকান্ডে জড়িত ৪ জনকে আটক করতে সক্ষম হয় ডিবি পুলিশ ।

জেলা গোয়েন্দা শাখা ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম বার জানান,জিডির সূত্র ধরে রিয়াদ আহমেদ ওরফে সজিব নামের একজনকে আটক করা হয় । আটক সজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, ১৪ মার্চ রতনকে অটোরিক্সা ভাড়া করার ঘুরার লোভ দেখিয়ে ফোন করে ডেকে নিয়ে আসে। বাড়ির থেকে বের করে নান্দাইল উপজেলা বীর বেতাগৈর ইউনিয়নের চৈতনখালী গ্রামের আ:হান্নান মুন্সি(৪৫)পিতা:মৃত জহির উদ্দিনের ডাটা ক্ষেতে রাত ১২টার দিকে রতনের মাথায় ও শরীরে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত হত্যাকরে ফেলে আসে ।

একজন অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ পড়ে আছে এলাকায় সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বাদীনি ঘটনাস্থলে উপস্থিতি হয়ে পরে থাকা মৃত অজ্ঞাতনামা লাশটিকে চিনতে পারে যে,তার ছেলে রতনের লাশ। পরিকল্পিতভাবে রতনকে হত্যার পর লাশ একটি ডাটা ক্ষেতের মাঝে ফেলে দেয় । এরপর ডাটা ক্ষেতের ভেতর লাশটি রেখে আসে ।

গত ১৫ মার্চ ডাটা ক্ষেতের মাঝ থেকে মাটিচাপা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয় । জেলা পুলিশ সুপার মোহা:আহমার উজ্জামান পিপিএম সেবা মামলাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ে রহস্য উদঘাটন অপরাধীদের ধরতে দ্বায়িত্বদেন ওসি ডিবিকে।ডিবি ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম বার দ্বায়িত্ব নেওয়ার পর তারই নেতৃত্বে পরিকল্পনায় ও তত্বাবধানে এসআই আনোয়ার হোসেন মামলটি তদন্ত শুরু করেন।

এরপর তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৌশলে খুনের রহস্য উন্মোচন করা হয় । ওসি জানান, সজীবকে আটকের পর তাকে কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে খোরশেদ আলম,সোহেল আলম,রিপন মিয়া নামে জড়িতদের নাম বলে দেয় । ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ জানায়, নিজেই আটোরিক্সা চালক সেজে সাথে টিম নিয়ে ১৭ তারিখ ঈশ্বরগঞ্জের মধুপুর বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন ।

ওসির সফল অভিযানে গ্রেফতার হয় সজীব । গ্রেফতার সজীব ডিবি পুলিশের কাছে স্বীকার করে জানিয়েছে,আমরা এ কজন জড়িত । সজীব জানিয়েছে, হত্যার আগে সে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেছিল । বাকীরা এসময় রতনের মাথায় বুকে পিটে এলোপাথাড়ি হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে থাকে গামছা দিয়ে বেঁধে রাখে। এরপর ডাটা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে মাথায় আঘাত করতে করতে রতনকে হত্যা করা হয় । মৃত্যু নিশ্চিতের পর লাশ ক্ষেতে ভেতর ফেলে দেয় ।

মৃত্যুর আগে রতন তাদেরকে বলেছিল যে,আমি তোমাদের চিনেছি, তোমরা কারা ? হত্যার ৪৮ঘন্টা পার হতে না হতেই চৌকশ সাহসী ও দক্ষ ডিবি ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ লেবাস বদল করে নিজেই অটোরিক্সা চালক সেজে ফোর্স নিয়ে সক্ষম হন খুনিদের গ্রেফতার করতে। এ সময় গ্রেফতারকৃতরা তাদের নিজেদের অপরাধ হত্যাকান্ডে জড়িত ও হত্যার বিবরন দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি প্রদান করে। আসামীরা সজিবের সাথে ১২ হাজার টাকা তোফাজ্জলের সাথে ১ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধ ছিল। আর ঐ বিরোধে রতনকে হত্যা করে।

আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রওশন জাহান ও দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাদের জবানবন্ধি গ্রহন করেছেন।

এ মামলার তদন্তকারী অফিসার এস আই আনোয়ার হোসেন বলেন,ওসির নেতৃত্বে আমি কনস্টেবল সাহেদ চৌধুরী সঙ্গীয় ৪জন আসামীকে ধরতে সক্ষম হয়েছি। বাকি আসামীদের ধরতেও প্রক্রিয়া চলছে তাদের দ্রুত ধরে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মুল্যবান মতামত দিন......

comments



ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচজনকে আইইডিসিআর এর নির্দেশে রংপুর মেডিকেলে প্রেরণ

প্রধান কার্যালয়ঃ বঙ্গবন্ধু সড়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন, বাসস্ট্যান্ড, ঠাকুরগাঁও-৫১০০
বার্তা বিভাগ-01763234375 অথবা 01673974507, ইমেইল- sangbadgallery7@gmail.com

2012-2016 কপি রাইট আইন অনুযায়ী সংবাদ-গ্যালারি.কম এর কোন সংবাদ ছবি ভিডিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথায় প্রকাশ করা আইনত অপরাধ

Development by: webnewsdesign.com