ময়মনসিংহের ত্রিশালে আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ভুমি দখলের অভিযোগ…

মঙ্গলবার, ০৮ অক্টোবর ২০১৯ | ৪:৩৬ অপরাহ্ণ |

ময়মনসিংহের ত্রিশালে আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ভুমি দখলের অভিযোগ…
প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও ছবিতে ডেস্ক রিপোর্ট

ত্রিশালের ২নং ওয়ার্ডের উজানপাড়ার বাসিন্দা মৃত আব্দুল কাদের মুন্সির ছেলে আব্দুর রশিদের বিরোদ্ধে চেক জালিয়াতি, ভুমিদস্যু ও অনৈতিক কর্মকান্ডের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী মতিউজ্জামন মতিউর (৪৫) পিতাঃ মৃত আলীম উদ্দিন ত্রিশাল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড উজানপাড়ার বাসিন্দা। ত্রিশাল উজানপাড়া আলীম মাদ্রাসায় ৪র্থ শ্রেণী দফতরীর চাকুরী করেন মতিউজ্জামন মতিউর বলেন, বিশেষ কারণে আব্দুর রশিদের কাছ থেকে ষাট হাজার (৬০,০০০) টাকা নেন চেকের মাধ্যমে। উক্ত টাকা প্রতি মাসে বেতনের ৫০০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করার কথা কিন্তু বেতনের পুরো ৫০০০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আব্দুর রশিদ। একটি চেক বইয়ের ১০ টি পাতা শেষ হলে পুনরায় আরেকটি চেক বই ইসু করা হয়।


সেই ব্যাপারে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপারের বরাবরে অভিযোগ করলে প্রমানিত হয়। পরে দরবার করে মিমাংসা করে স্থানীয় এলাকাবাসী। ২ নং ওয়ার্ডের উজানপাড়ার স্থানীয় ইটের ব্যাপারী মোফাজ্জল হোসেন বলেন, মতিউরের সমস্যার সমাধান হয়েছে কিন্তু আমার সমস্যার সমাধান কে দিবে, আব্দুর রশিদ একজন ভুমিদস্যু । সে এত কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলেছে যে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। এলাকায় শান্তি ছিল কিন্তু এর কারণে অশান্তি আমাদের এলাকায় তার অপকর্মের কারণে।

ত্রিশাল পৌরসভার রাস্তা বাউন্ডারী দিয়ে অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট। আমার নিজের জায়গা জোর করে বাউন্ডারি নিমার্ণ করেছে। রাস্তা কেটে দেওয়াল তুলেছে কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আমরা এর বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী করছি কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছে না।

হাফেজ মোঃ মাওলানা হাবিবুল্লাহ মোজাহেদ বলেন, যে কোন কাজ করতে দ্বিধাবোধ করে না এই রশিদ। কয়েক বছর আগে লুঙ্গি নিয়ে হকারী করতো কিন্তু আজ কোটি কোটি টাকার মালিক। শুধু ত্রিশালেই রয়েছে ৪টি আলিশান বাড়ি। নামে বেনামে রয়েছে অনেক জায়জা। স্ত্রীর নামে রয়েছে প্লাটবাড়ি।ময়মনসিংহে ও রয়েছে জায়গা ও বাড়ি। এত কালো টাকার মালিক সে কিভাবে হয়েছে। রশিদের নাকি কোন বোনের জামাই নাকি দুদকের অফিসার তার কোন হিসাব দিতে হবে না।  তার অনেক অপকর্মের যারা স্বাক্ষী তারা মুখ খুলছে না। আমরা এর সুষ্ঠ তদন্ত করে এত টাকার মালিক কি করে হয় তার জন্য উদদতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।এর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করা এবং এলাকার শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করছি।

স্থানীয় হযরত আলী, মোবারক হোসেন ও আব্দুর রশিদ বলেন, ত্রিশালে বাট্রা রশিদের ব্যবসা হলো সরকারী চাকুরীদের সাথে চেকের মাধ্যমে। অবৈধ ব্যবসার সাথে শুনেছি সম্পর্ক আছে । বাড়িতে নাকি অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও বিদ্যুৎ সংযোগ ও আছে। মানুষের মুখে মুখে শুনেছি।

এ ব্যাপারে আব্দুর রশিদ বলেন, আমি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করে, দোকান ভাড়া, পুকুরে মাছ চাষ,গাভী পালন করে অনেক কষ্টে এতদুর এসেছি। এলাকার কিছু অসাধু লোক আমার পিছনে লেগেছে। তারা যা বলছে মিথ্যা বলছে। আমি জমি কিনেছি এবং রাস্তার জন্য অর্ধেক দিয়েছি। আমি তো আর পুরো রাস্তার জমি একা দিতে পারবো না। আমি অর্ধেক দিয়েছি আর অর্ধেক অপরের অংশের যিনি মালিক তিনি দিলেই এ সমস্যার সমাধান হবে। চেকের বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকার করেন তিনি।

আপনার মুল্যবান মতামত দিন......

comments



যোগ্যতাই যখন বড় অযোগ্যতা

প্রধান কার্যালয়ঃ বঙ্গবন্ধু সড়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন, বাসস্ট্যান্ড, ঠাকুরগাঁও-৫১০০
বার্তা বিভাগ-01763234375 অথবা 01673974507, ইমেইল- sangbadgallery7@gmail.com

2012-2016 কপি রাইট আইন অনুযায়ী সংবাদ-গ্যালারি.কম এর কোন সংবাদ ছবি ভিডিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথায় প্রকাশ করা আইনত অপরাধ

Development by: webnewsdesign.com