“২১ শে আগস্ট ও জজ মিয়া নাটক”

সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮ | ৫:৩২ অপরাহ্ণ |

“২১ শে আগস্ট ও জজ মিয়া নাটক”
"২১ শে আগস্ট ও জজ মিয়া নাটক”

ইবি প্রতিনিধি: ১৯৭৫ সালের পর স্বাধীনতা বিরোধীরা সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্রের ছক একেছিল ২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক জিয়া, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফর জামান বাবর, হারিচ চৌধুরী, আলী আহসান মুজাহিদ, মুফতি হান্নান সহ, সরকারের কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ জঙ্গিরা ছক একেছিল জাতির জনকের কণ্যা, তৎকালীন প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে চলা জনসভায় গ্রেনেড হামলায় সেদিন নিহত হয়েছিলেন আইভী রহমান সহ ২৪ জন। দেশরত্ন শেখ হাসিনার বক্তব্য শেখ হওয়া মাত্রই ফুটেছিল গ্রেনেড। মঞ্চে অবস্থান করা নেতা কর্মীরা মানব বর্ম তৈরি করে দেশরত্ম শেখ হাসিনা কে রক্ষা করেছিলেন। সেদিনের সেই গ্রেনেডের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের ত্যাগী অনেক নেতা কর্মী। ৪ শতাধিক নেতা কর্মী সেদিন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিল। পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউ নিহত আর আহতদের রক্তে একাকার হয়ে গিয়েছিল। হাওয়া ভবনের সেদিনের মূল ষড়যন্ত্র ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। গ্রেনেড হামলায় আহত জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সেতিন হাসপাতালে নেবার পথেও তাঁর গাড়িতে গুলি ছুড়া হয়েছিল। ভয়াল সেই ২১ আগস্ট নিয়ে তৎকালীন সরকারের সাজানো জজ মিয়া নাটক সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়ে দিয়েছিল।

গ্রেনেড হামলার পর তারেক জিয়া ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরের করা স্ক্রিপ্টে তৎকালীন সিআইডির উর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা অভিনয় করেছিলেন জজ মিয়া নামক নাটকে। জজ মিয়া নোয়াখালি জেলার একজন সাধারণ ভবঘুরে টাইপের যুবক যে গুলিস্তানে সিডির ব্যবসা করতো। জজ মিয়া নাটকে তাকে সাজানো হয়েছিল গ্রেনেড হামলার প্রধান আসামী হিসেবে। পুলিশ জজ মিয়াকে আটক করে জোর করে স্বীকারোক্তি নেন সে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গ্রেনেড হামলা করেছে। জজ মিয়াকে ভয় দেখানো হয়েছিল সে তাদের কথা মতো সাক্ষ্য না দিলে জজ মিয়ার পরিবারের ক্ষতি হবে আর তাদের কথা মতো চললে জজ মিয়ার কিছুই করবে না এমন কি তার পরিবারকেও পুলিশের পক্ষ থেকে মাসোহারা দেয়া হবে। পরবর্তীতে পুলিশের পক্ষ থেকে জজ মিয়ার পরিবারকে প্রতি মাসে ২ হাজার করে টাকাও দেয়া হতো। এমন কি পুলিশের পক্ষ থেকে জজ মিয়ার বোনের বিয়েরও দায়িত্ব নেয়া হয়েছিল, জজ মিয়াকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেবার কথাও বলেছিল। কিন্তু জজ মিয়ার মা ছেলেকে ফেরত চেয়েছিল টাকা চান। এভাবে ৬ মাস যাবার পর জজ মিয়ার বোন সাংবাদিকদের কাছে পুলিশের টাকা দেবার কথা বলে দিলে পুলিশের পক্ষ থেকে সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়। জজ মিয়াকে ছাড়াতে ভিটেমাটি বেঁচে নিঃস্ব হয়ে যায় গরিব পরিবারটি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জজ মিয়া নাটকের সমাপ্তি ঘটলে তাকে বাদ দিয়েই আসামী অন্তর্ভুক্তি করা হয়। একজন নিরীহ, নিরপরাধী মানুষকে গ্রেনেড হামলার প্রধান আসামী বানিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কোটি টাকা পুরস্কার ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছিলেন উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা। জজ মিয়ার জীবন থেকে মিথ্যে নাটকে শুধু ৩ টা বছর ই যায় নি, ধ্বংস হয়েছে একটি পরিবার। বর্তমানে জজ মিয়ার অতীত জানলে তার বিয়েও টিকছে না। পরিচয় গোপন করে একবার বিয়ে করলেও পরিচয় প্রকাশ পাবার ৩ মাস পর সে বিয়ে ভেঙ্গে যায়।

webnewsdesign.com

জজ মিয়া নাটকের স্ক্রিপ্ট রাইটার তারেক জিয়া, বাবর সহ ৫২ জন আসামীর বিচার প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে। গ্রেনেড হামলায় তাদের বিরুদ্ধে ২ শতাধিক মানুষ সাক্ষ্য দিয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর মামলায় তারেক জিয়া, হারিচ চৌধুরি সহ প্রায় ১৭ জন বিদেশে পলাতক। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক অতিসম্প্রতি জানিয়েছেন সেপ্টেম্বরেই রায় হবে এই মামলার। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে নির্মম এ হামলায় ৫২ জন আগামীর ই সর্বোচ্চ শাস্তি ফাসির আদেশ দেবে মহামান্য আদালত। ৭৫ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিশেষ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে বহুবার। ১৯ বারেরও বেশি সময় চেষ্টা করা হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার। ২১ আগস্ট ছিল তেমনি একটি মাস্টার প্লান। হাওয়া ভবনের কুশিলবরা এই মাস্টার প্লান করেছিল জঙ্গীদের সাথে আতাত করে। গ্রেনেড হামলার জন্য গ্রেনেড এনেছিল পাকিস্তান থেকে। স্বাধীনতা বিরোধীরা বার বার এই আগস্টকেই রক্তাক্ত করার খেলায় মত্ত হয়ে ওঠে। ১৫ আগস্ট, ১৭ ই আগস্ট, ২১ শে আগস্ট সব ঘটনা একই সূত্রে গাথা। গ্রেনেড হামলায় তারেক জিয়া, বাবরসহ সবার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি। গ্রেনেড হামলার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফর জামান বাবর বলেছিলেন ‘উই আর লুবিং ফর সন্ত্রাসী’স’। নিজেরা সন্ত্রাসী হয়ে জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিলেন। গ্রেনেড হামলায় অভিযুক্ত ১৭ জন পলাতক আসামী সহ ৫২ জনের সর্বোচ্চ সাজা ও দ্রুত সাজা কার্যকর করা চাই ‘উই আর লুকিং ফর জাস্টিস’।

১৯৭৫ সালের পর স্বাধীনতা বিরোধীরা সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্রের ছক একেছিল ২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক জিয়া, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফর জামান বাবর, হারিচ চৌধুরী, আলী আহসান মুজাহিদ, মুফতি হান্নান সহ, সরকারের কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ জঙ্গিরা ছক একেছিল জাতির জনকের কণ্যা, তৎকালীন প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে চলা জনসভায় গ্রেনেড হামলায় সেদিন নিহত হয়েছিলেন আইভী রহমান সহ ২৪ জন। দেশরত্ন শেখ হাসিনার বক্তব্য শেখ হওয়া মাত্রই ফুটেছিল গ্রেনেড। মঞ্চে অবস্থান করা নেতা কর্মীরা মানব বর্ম তৈরি করে দেশরত্ম শেখ হাসিনা কে রক্ষা করেছিলেন। সেদিনের সেই গ্রেনেডের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের ত্যাগী অনেক নেতা কর্মী। ৪ শতাধিক নেতা কর্মী সেদিন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিল। পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউ নিহত আর আহতদের রক্তে একাকার হয়ে গিয়েছিল। হাওয়া ভবনের সেদিনের মূল ষড়যন্ত্র ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। গ্রেনেড হামলায় আহত জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সেতিন হাসপাতালে নেবার পথেও তাঁর গাড়িতে গুলি ছুড়া হয়েছিল। ভয়াল সেই ২১ আগস্ট নিয়ে তৎকালীন সরকারের সাজানো জজ মিয়া নাটক সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়ে দিয়েছিল।

গ্রেনেড হামলার পর তারেক জিয়া ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরের করা স্ক্রিপ্টে তৎকালীন সিআইডির উর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা অভিনয় করেছিলেন জজ মিয়া নামক নাটকে। জজ মিয়া নোয়াখালি জেলার একজন সাধারণ ভবঘুরে টাইপের যুবক যে গুলিস্তানে সিডির ব্যবসা করতো। জজ মিয়া নাটকে তাকে সাজানো হয়েছিল গ্রেনেড হামলার প্রধান আসামী হিসেবে। পুলিশ জজ মিয়াকে আটক করে জোর করে স্বীকারোক্তি নেন সে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে গ্রেনেড হামলা করেছে। জজ মিয়াকে ভয় দেখানো হয়েছিল সে তাদের কথা মতো সাক্ষ্য না দিলে জজ মিয়ার পরিবারের ক্ষতি হবে আর তাদের কথা মতো চললে জজ মিয়ার কিছুই করবে না এমন কি তার পরিবারকেও পুলিশের পক্ষ থেকে মাসোহারা দেয়া হবে। পরবর্তীতে পুলিশের পক্ষ থেকে জজ মিয়ার পরিবারকে প্রতি মাসে ২ হাজার করে টাকাও দেয়া হতো। এমন কি পুলিশের পক্ষ থেকে জজ মিয়ার বোনের বিয়েরও দায়িত্ব নেয়া হয়েছিল, জজ মিয়াকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেবার কথাও বলেছিল। কিন্তু জজ মিয়ার মা ছেলেকে ফেরত চেয়েছিল টাকা চান। এভাবে ৬ মাস যাবার পর জজ মিয়ার বোন সাংবাদিকদের কাছে পুলিশের টাকা দেবার কথা বলে দিলে পুলিশের পক্ষ থেকে সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়। জজ মিয়াকে ছাড়াতে ভিটেমাটি বেঁচে নিঃস্ব হয়ে যায় গরিব পরিবারটি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জজ মিয়া নাটকের সমাপ্তি ঘটলে তাকে বাদ দিয়েই আসামী অন্তর্ভুক্তি করা হয়। একজন নিরীহ, নিরপরাধী মানুষকে গ্রেনেড হামলার প্রধান আসামী বানিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কোটি টাকা পুরস্কার ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছিলেন উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা। জজ মিয়ার জীবন থেকে মিথ্যে নাটকে শুধু ৩ টা বছর ই যায় নি, ধ্বংস হয়েছে একটি পরিবার। বর্তমানে জজ মিয়ার অতীত জানলে তার বিয়েও টিকছে না। পরিচয় গোপন করে একবার বিয়ে করলেও পরিচয় প্রকাশ পাবার ৩ মাস পর সে বিয়ে ভেঙ্গে যায়।

জজ মিয়া নাটকের স্ক্রিপ্ট রাইটার তারেক জিয়া, বাবর সহ ৫২ জন আসামীর বিচার প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে। গ্রেনেড হামলায় তাদের বিরুদ্ধে ২ শতাধিক মানুষ সাক্ষ্য দিয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর মামলায় তারেক জিয়া, হারিচ চৌধুরি সহ প্রায় ১৭ জন বিদেশে পলাতক। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক অতিসম্প্রতি জানিয়েছেন সেপ্টেম্বরেই রায় হবে এই মামলার। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে নির্মম এ হামলায় ৫২ জন আগামীর ই সর্বোচ্চ শাস্তি ফাসির আদেশ দেবে মহামান্য আদালত। ৭৫ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিশেষ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে বহুবার। ১৯ বারেরও বেশি সময় চেষ্টা করা হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার। ২১ আগস্ট ছিল তেমনি একটি মাস্টার প্লান। হাওয়া ভবনের কুশিলবরা এই মাস্টার প্লান করেছিল জঙ্গীদের সাথে আতাত করে। গ্রেনেড হামলার জন্য গ্রেনেড এনেছিল পাকিস্তান থেকে। স্বাধীনতা বিরোধীরা বার বার এই আগস্টকেই রক্তাক্ত করার খেলায় মত্ত হয়ে ওঠে। ১৫ আগস্ট, ১৭ ই আগস্ট, ২১ শে আগস্ট সব ঘটনা একই সূত্রে গাথা। গ্রেনেড হামলায় তারেক জিয়া, বাবরসহ সবার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি। গ্রেনেড হামলার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফর জামান বাবর বলেছিলেন ‘উই আর লুবিং ফর সন্ত্রাসী’স’। নিজেরা সন্ত্রাসী হয়ে জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিলেন। গ্রেনেড হামলায় অভিযুক্ত ১৭ জন পলাতক আসামী সহ ৫২ জনের সর্বোচ্চ সাজা ও দ্রুত সাজা কার্যকর করা চাই ‘উই আর লুকিং ফর জাস্টিস’।

মোঃ রাকিবুল ইসলাম
সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ।

আপনার মুল্যবান মতামত দিন......

comments

প্রধান কার্যালয়: শিমুল লজ, ১২/চ/এ/২/৪ (২য় তলা), রোড নং ৪, শেরেবাংলা নগর,শ্যামলী,ঢাকা‌.
বার্তা বিভাগ-01763234375 অথবা 01673974507, ইমেইল- sangbadgallery7@gmail.com

আঞ্চলিক কার্যালয়: বঙ্গবন্ধু সড়ক, আধুনিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন, বাসস্ট্যান্ড, ঠাকুরগাঁও-৫১০০

2012-2016 কপি রাইট আইন অনুযায়ী সংবাদ-গ্যালারি.কম এর কোন সংবাদ ছবি ভিডিও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথায় প্রকাশ করা আইনত অপরাধ

Development by: webnewsdesign.com